Foto

২৭ দল মিলে পেয়েছে ৮ আসন


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৮টির ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন দুই বৃহৎ রাজনৈতিক মোর্চা মিলে পেয়েছে মাত্র ৮টি আসন।


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গী ছিল দুটি রাজনৈতিক জোট। এর মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে রয়েছে ৪টি দল, আর ২০-দলীয় জোট (সম্প্রসারিত ২৩ দল) রয়েছে ২৩টি দল।

এই ২৭টি দল মিলে এবার আসন পেয়েছে মাত্র ৮টি। এর মধ্যে দুটি দল ছাড়া অন্য ২৫ দল কোনো আসনই পায়নি।

দুই জোটের মধ্যে আসন পেয়েছে বিএনপি ৬টি, গণফোরাম ১টি আর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ১টি।

২০-দলীয় জোটের শরিকরা (সম্প্রসারিত ২৩ দল) কোনো আসনে জয়ী হতে পারেনি।

সোমবার ভোর ৪টার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন চত্বরে নির্বাচনী তথ্য সরবরাহ কেন্দ্রে বেসরকারি এ ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। এতে এই চিত্র উঠে এসেছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (নৌকা) ২৫৯ আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) ২০টি। মহাজোট জোটগতভাবে পেয়েছে ২৮৮ আসন।

মহাজোটের শরিক বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি ৩, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ২, তরিকত ফেডারেশন ১, জাতীয় পার্টি (জেপি) ১ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২টি আসনে জয়ী হয়েছে।

মহাজোটের শরিকরা ২৯টি আসন পেলেও ২০ দলের শরিক দলগুলো একটি আসনেও জয়ী হতে পারেনি।

১০টি ছাড়া বাকি সব আসনে মহাজোট প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

ধানের শীষের জয়ী যারা

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-বগুড়া-৬ (ধানের শীষ)। এ আসনে বিএনপি মহাসচিব পেয়েছেন ২ লাখ ৫ হাজার ৯৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম ওমর পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৬১ ভোট।

মোশাররফ হোসেন-বগুড়া-৪ (ধানের শীষ)। নন্দীগ্রাম-কাহালু আসনে ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২২ ভোট পেয়েছেন মোশারফ হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেন পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৬৭৯ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান ৮৭ হাজার ১৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির ইয়াসিন আলী পেয়েছেন ৭০৯ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামী লীগের আব্দুল ওয়াদুদ পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৯৩৮ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ পঁচাত্তর হাজার ৪৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামী লীগের জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫২ ভোট।

রেজাউল করীব বাবলু-বগুড়া-৭ (ধানের শীষ) আসনে জয়ী হয়েছেন।

সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ-মৌলভীবাজার-২ (ধানের শীষ প্রতীকে গণফোরাম)। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি ৭৯ হাজার ৭৮২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাজোট মনোনীত বিকল্পধারার প্রার্থী এমএম শাহীন নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৪৭ ভোট।

মুকাব্বির হোসেন খান-সিলেট-২ (উদীয়মান সূর্য প্রতীকে গণফোরাম)। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সমর্থিত এই প্রার্থী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৪২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডাব প্রতীকে মুহিবুর রহমান ৩০ হাজার ৪৪৯ ভোট পেয়েছেন।

 

Facebook Comments

" রাজনীতি " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ