Foto

১৪ দল ভাঙার কোনো কারণ নেই: নাসিম


আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ১৪ দল ছিল, আছে এবং থাকবে। এই জোট ভাঙার কোনো কারণ নেই। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ১৪ দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করছে, ভবিষ্যতেও করবে। অসাম্প্রদায়িক, জঙ্গি, রাজাকার ও শোষণমুক্ত দেশ গড়তে তারা সবসময় শেখ হাসিনার পাশে ছিল, থাকবে।


বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ৯৭তম ঐতিহাসিক সলঙ্গা দিবস উপলক্ষে গণআজাদী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ’অনেকে ১৪ দল নিয়ে অনেক কিছু ভাবছেন, ১৪ দল থাকবে কি না? ১৪ দল কেন থাকবে না? ক্ষমতার লোভে নয়, একটি আদর্শিক জোট হিসেবেই ১৪ গঠিত হয়েছে। এই জোটের নেতৃত্বে একাদশ সংসদ নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাজিত করা সম্ভব হয়েছে। তবে সাম্প্রদায়িক শক্তি এখনো নিঃশেষ হয়নি, তারা চুপ করে আছে। যেকোনো মুহূর্তে মাথা তুলে দাঁড়াবে। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আবারও দরকার হলে মাঠে নামবো।’

তিনি বলেন, সংসদে সত্যিকার অর্থে বিরোধী দল নেই। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি ১৪ দল রয়েছে। সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি। এ লক্ষ্যেই বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকবেন ১৪ দল নেতারা। সরকার পরিচালনায় কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি হলে তা ধরিয়ে দিয়ে সতর্ক করা এবং পরাজিত অশুভ শক্তির চক্রান্ত জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবেন তারা।

আসন্ন উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে নাসিম বলেন, উপজেলা নির্বাচন স্থানীয় নির্বাচন হওয়ায় এখানে জোটগতভাবে ১৪ দলের প্রার্থী দেওয়া হবে না। জোট শরিকরা নিজ নিজ দল থেকে আলাদাভাবে অংশ নেবেন। নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু করতে ১৪ দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।

১৪ দল প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে চা-চক্রে যাবে জানিয়ে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ’বিএনপি-জামায়াত সংসদীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে। তাই তারা বারবার বলছে, সংসদীয় গণতন্ত্রে শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার। কিন্তু তার মানে আমরা তো খুনিদের আদর করে সংসদে ডেকে এনে বসাতে পারি না।’

গণআজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিকদারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা, গণআজাদী লীগেরর প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ শামসুল আলম হাসু তর্কবাগীশ, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

Facebook Comments

" রাজনীতি " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ