Foto

সিলেট সিটি কর্পোরেশন ৩ দিনে আদায় করল ২৬ লাখ


৩য় দিনের মতো সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় গ্রাহকদের কাছে হোল্ডিং ট্যাক্স, পানির বিল, ট্রেড লাইসেন্স ও বিল বোর্ড বাবত বকেয়া বিল আদায়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রোববার সকালে নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় দিনভর সিসিকের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আ ন ম মনসুফের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এসময় প্রায় সোয়া ২লাখ টাকা বকেয়া বিল আদায় করা হয়। এনিয়ে গত ৩ দিনে প্রায় ২৬ লাখ টাকা বকেয়া বিল আদায় করা হয়েছে।


গত ২ জানুয়ারি সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে বকেয়া ১’শ কোটি টাকা আদায়ে অভিযান শুরু করা হয়। শুক্র-শনি সরকারী ছুটি শেষে রোববার ফের অভিযান চালায় সিসিক।

সিসিক জানায়, দীর্ঘ দিন থেকে বিল খেলাপিদের বিরুদ্ধে বার বার নোটিশ প্রদান করা সত্বেও বিল পরিশোধ না করায় বকেয়া বিল আদায়ে অভিযান পরিচালানা করা হচ্ছে। বিল আদায়ের লক্ষে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী গঠন করেন তিনটি টিম।

রোববার অভিযান শেষে সিসিকের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আ ন ম মনসুফ জানান, সিটি কর্পোরেশনের মূল আয়ের খাত হচ্ছে হোল্ডিং ট্যাক্স। এই খাতের আয় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও আনুষাঙ্গিক খরচ চালায় সিটি কর্পোরেশন। আর এই খাতে বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ৬৭কোটি টাকা, পানির বিলের বকেয়ার পরিমাণ ১২ কোটি টাকা, ট্রেড লাইসেন্স বাবত বকেয়ার পরিমাণ ২০ কোটি টাকা এবং বিল বোর্ড বাবত বকেয়ার পরিমাণ ১ কোটি টাকা রয়েছে। এমতাবস্থায় কর্পোরেশনের অন্যসব কাজ-কর্ম বন্ধ রেখে বাধ্য হয়ে অভিযানে নামতে হয়েছে।

সিসিকের গঠিত টিমের একটি কমিটির দ্বায়িত্বে আছেন সিসিকের সচিব মোহাম্মদ বদরুল হক, আরেকটিতে সিসিকের প্রধান প্রকোশলী নূর আজিজুর রহমান আর অন্যটিতে নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর। বকেয়া বিল আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে সিসিকের লাইসেন্স কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন, ট্যাক্সেশন অফিসার আফতাব উদ্দিন, লাইসেন্স পরিদর্শক রুবেল আহমদ নান্নু সহ সিসিকের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments

" সিলেট সংবাদ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ