Foto

শেষ স্বান্তনা সিলেটের, তিনেই থাকছে চিটাগং


ম্যাচটা সিলেটের জন্য নিয়ম রক্ষার। আসর থেকে তাদের বিদায় ঘন্টা সেই চট্টগ্রামেই বেজে গেছে। ওদিকে রাজশাহী কিংস আছে প্লে অফে খেলার প্রার্থনায়। ঢাকা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে প্লে অফের। এদিকে কুমিল্লা-রংপুর আগামীকাল মাঠে নামবে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে।


চিটাগং ভাইকিংসদের জন্যও সিলেটের বিপক্ষে ম্যাচটি রাজত্বে ফেরার। কিন্তু তারা পারল না। তিনে থেকেই গ্রুপ পর্ব শেষ করল। আর শেষ ম্যাচটায় সিলেট পেল ২৯ রানের জয়।

ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি সিলেটের। আসরের শুরু থেকেই তারা ভুগেছে এই সমস্যায়। লিটন দাস অবশ্য ছিলেন না এই ম্যাচে। তার জায়গায় মাঠে দেখা যায় আন্দ্রে ফ্লেচারকে। বিদায় ঘন্টা বেজে যাওয়া সিলেট তাকে শেষ ম্যাচে চেখে দেখল। ভালো খেলেছেন তিনি। কিছুটা হলেও সিলেটের আক্ষেপ বাড়িয়েছেন। অন্যদের যাওয়া আসার মিছিলে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৫৩ বলে ৬৬ রান। অন্য উইন্ডিজ তারকারও মতো হেসেছে তার ব্যাটও।

তবে আফিফ এবং জেসন রয় ব্যর্থ ছিলেন এ ম্যাচে। তাদের বিদায়ের পর সাব্বির ২৫ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলেন। তার পরে ছোট একটা ঝড় দেখান নওয়াজ। তিনি ১৯ বলে ৩৪ রান করেন। তার ব্যাটে ভর করেই ১৬৫ রানের ভালো ওই সংগ্রহ পায় সিলেট।

চিটাগংয়ের হয়ে এ ম্যাচে প্রথম খেলতে নামা পেসার ভিলজয়েন ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। প্লে অফে তিনি চিটাগংয়ের নতুন অস্ত্র হয়ে উঠতে পারেন তা গতি এবং সুইং দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন এই পেসার। সিলেটের পাঁচ উইকেটের চারটিই নিয়েছেন তিনি। এছাড়া তার ওভারে অস্বস্তি ছড়িয়েছে সিলেট ব্যাটসম্যানদের মধ্যে। স্পিনার নাঈম হাসান ৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে নয় বল হাতে থাকতে ১৩৬ রানে অলআউট হয়ে যায় চিটাগং। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন মুশফিক। তিনি ব্যাটে থাকতে জয়ের ভরসায় ছিল চিটাগং। কিন্তু পরে আর তা হয়ে ওঠেনি। ভাইকিংসরা শুরুর ৩ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বড় চাপে পড়ে। সেখান থেকে ইয়াসির আলীর ২৭, মুশফিকের ব্যাটে এবং মোসাদ্দেকের ২৫ রানের সুবাদে ঘুরে দাঁড়ায়। কিন্তু পরে সিকান্দার রাজা এবং সানাকা ব্যর্থ হলে আর পরে উঠেনি ভাইকিংসরা।

Facebook Comments

" ক্রিকেট নিউজ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ