Foto

শাশুড়ির মৃত্যুশোকে পুত্রবধূর আত্মহত্যা


বউ-শাশুড়ির সম্পর্কটি সবখানেই একটু কেমন যেন। শত কিছুর পরও দূরত্বটা কেমন যে একটু থেকেই যায়। ভারতে তো এ প্রবণতা আরো অনেক বেশি। বিশেষ করে সেখানকার টিভি চ্যানেলগুলো যেন সারাদিনই এ নিয়েই ব্যস্ত। এতে আবার আসক্ত বড়-শাশুড়ি উভয় সমাজই। ভারতের কোনো কোনো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে পর্যন্ত আহ্বান জানাতে হয় এ আসক্তি ছেড়ে আসতে। সেই ভারতেই শোনা গেল এবার অন্য রকম একটি খবর।


অসুস্থ শাশুড়ির মৃত্যুশোক সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে এক নারী। মহারাষ্ট্রের কোলাপুরের আপ্তেনগর আবাসিক এলাকায় শনিবার এ ঘটনা ঘটে।

জুনা রাজওয়াদা থানার পুলিশ কর্মকর্তা ইরফান গাদকারি জানান, দীর্ঘদিন ক্যান্সারে ভোগার পর মালতি এম লোখান্ডে নামের ৭০ বছর বয়সী এক নারী শনিবার সকালে মারা যায়। তার এ মৃত্যু সংবাদ শুনে তার পুত্রবধূ ৪৯ বছর বয়সী শুভাঙ্গি এস লোখান্ডে তিনতলার বারান্দা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শাশুড়ির মৃত্যু সংবাদ সহ্য করতে না পেরে তিনি এভাবে আত্মহত্যা করেন। তবে গাদকারি জানান, শুভাঙ্গি মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়না তদন্তের জন্য তার লাশ কোলাপুর সিপিআর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনা পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশীসহ আত্মীয়স্বজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

গো-মূত্রের পর এবার মনুষ্য মূত্র নিয়ে নতুন ফর্মুলা দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি। তিনি বলেছেন, ইউরিয়া আমদানি করার খুব একটা প্রয়োজন নেই। বরং এর জন্য মূত্র বা ইউরিন সঞ্চয় করলেই হবে।

গত রোববার নাগপুরের একটি সভায় ভারতের সড়ক পরিবহন ও হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গড়কাড়ি এ প্রস্তাব দেন। তার ভাষায়, মূত্র সঞ্চয় করলে ভারতকে কৃষিকাজের উন্নতির জন্য আর দেশের বাইরে থেকে মূল্যবান সার আনাতে হবে না । এজন্য তিনি বিমানবন্দরে মূত্র সঞ্চয়েরও প্রস্তাব দিয়েছেন।

নিতিন বলেন, জৈব সার হিসেবে মানুষের মূত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।

এর আগে গো-মূত্রের প্রয়োজনীয়তার কথা বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা মন্ত্রীর মুখে শোনা গিয়েছে এর আগেও। তবে এবার নাগপুর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের ‘মেয়র ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এ ধরনের প্রস্তাবে অবাক হয়ে গিয়েছেন অনেকেই।

নিতিন তার বক্তৃতায় শুধু এ ফর্মুলাই দেননি। বরং এর গুরুত্বও বোঝানোর চেষ্টা করেন। জৈব সার কী ভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি করা যেতে পারে, এমন কয়েকটি পদ্ধতির কথাও বলেন। সেই প্রসঙ্গেই মানুষের মূত্র সঞ্চয়ের কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, মানুষের মূত্র সঞ্চয় করলে তা থেকে অ্যামোনিয়াম সালফেট ও নাইট্রোজেন পাওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরে মূত্র সঞ্চয়ের কথা বলেছি আমি। আমরা ইউরিয়া আমদানি করি। কিন্তু যদি দেশজুড়ে মূত্র সঞ্চয় করা যায়, তবে কিছুই আর ফেলতে হবে না।’

অবশ্য তিনি নিজেই বলেন, অন্য কেউ তার সঙ্গে সহমত হতে চান না, কারণ তার দেয়া প্রস্তাবগুলো অভিনব।

কয়েক বছর আগে নিতিন জানিয়েছিলেন, নিজের মূত্র সঞ্চয় করেন তিনি। দিল্লির বাংলোর বাগানে সার হিসেবে তিনি এগুলো ব্যবহারও করেন। এর ফলে তার বাগানের ফলন ২৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে বলেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। এছাড়া চুলের বর্জ্য জমিয়ে অ্যামাইনো অ্যাসিড বের করার উদাহরণও দিয়েছিলেন তিনি।

Facebook Comments

" ইন্ডিয়ান সংবাদ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ