Foto

রোজায় ডায়াবেটিস রোগীরা সুস্থ থাকবেন যেভাবে


বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রেই রোজা রাখা ক্ষতিকর নয়। তবে দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকার কারণে অনেকসময় ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ ঝুঁকির মুখে পড়ে যায়। সেই সঙ্গে পানিশূন্যতার ঘাটতিও দেখা দিতে পারে। এ কারণে রোজার আগে ডায়াবেটিস রোগীদের বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিতে বলা হয়।


ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। ইফতারের সময় খাবার ধীরে ধীরে খেলে বদহজমের সমস্যা কমে যায়, গ্লুকোজের মাত্রাও ঠিক থাকে।

সেহরি ও ইফতারে ডায়াবেটিস রোগীদের কিছু খাবার যেমন –রুটি, ভাত, দুধ, দই, ফল ও শাকসবজি ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। তবে ইফতারিতে একবারে অনেক খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে কিছুক্ষণ পর পর খাবার খেতে হবে।

ইফতারিতে যদি মিষ্টি খাবার বেশি খাওয়া হয় তাহলে অনেক সময় ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। এ কারণে শরবত, ফলের রস , প্যাকেট জুস বা সব ধরণের মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। সেই সঙ্গে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সেহরি ও ইফতারে খাবার নির্বাচনের ব্যাপারে ডায়াবেটিস রোগীদের সতর্ক থাকা উচিত।যেহেতু সেহরি ও ইফতারের মধ্যে প্রায় ১৬ ঘণ্টা ব্যবধান থাকে এ কারণে মাঝরাতে না খেয়ে একদম সেহরির শেষ সময়ে খাওয়া উচিত। এতে শরীরে শর্করার মাত্রা অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে থাকতে সাহায্য করবে।

Facebook Comments

" সুস্বাস্হ্য " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ