Foto

যে লক্ষণ গুলোর কারনে কিডনিতে পাথর হয়


কিডনির পাথর জমা অতি পরিচিত একটি সমস্যা। এটি সাধারণত আকারে ছোট হয়ে থাকে। কিডনির ভিতরে কঠিন পদার্থ জমা হয়ে কিডনিতে পাথর হয়। সাধারণত খনিজ এবং অম্ল লবণ দিয়ে কিডনির পাথর তৈরি হয়। কিডনিতে বিভিন্ন কারণে পাথর হয়ে থাকে। তবে প্রস্রাব গাঢ় হলে তা খনিজগুলোকে দানা বাঁধতে সহায়তা করে এবং তা পাথরে রূপ নেয়।


যেহেতু কিডনিতে পাথর জমলে যে কারও জন্য তা ক্ষতিকারক হতে পারে একারণে এর উপসর্গগুলো সবারই জানা উচিত। কিডনিতে পাথর হলে পিঠে কিংবা পাজরের দুইপাশে, তলপেটে ব্যথা হয়, প্রসাবের পরিমাণ বেশি থাকে, প্রসাবের সময় ব্যথা হয়, ইউররিনের রঙ গোলাপি, লাল, বাদামি কিংবা গাঢ় রঙের হয়। জ্বর এবং বমি বমি ভাবও হয়। এগুলোর সবগুলিই যে একজনের মধ্যে দেখা দেবে তা কিন্তু নয়। একেকজনের উপসর্গ একেকভাবে দেখা দেয়। এটা পাথরের আকৃতি এবং কিডনির কোন স্থানে জমেছে তার উপর নির্ভর করে।
কিডনিতে পাথর জমলে কেউ কেউ ঠিকমতো দাঁড়াতে, বসতে কিংবা শুয়ে থাকতে পারেন না। সবসময়ই অস্বস্তি বোধ করেন। পেটে অসহ্য যন্ত্রনা হয়। কারও কারও আবার প্রসাবে রক্ত দেখা দেয়।কিডনিতে পাথর জমলে রক্ত, ইউরিন পরীক্ষা, এক্স রে , আলট্রাসাউণ্ডের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা যায়। একারণে শরীরে উপসর্গগুলোর যেকোনটি দেখা দিলে এবং নিজের কাছে সন্দেহ লাগলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কিডনির এসব পাথর আপনার জন্য ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। উপসর্গ বা লক্ষণগুলো জানা থাকলে নিরাময়ে সুবিধা হবে আপনার। কিডনিতে পাথর হওয়ার লক্ষণগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।


# কিডনিতে পাথর হলে ঠিকমতো বসতে, দাঁড়াতে, কিংবা শুয়ে থাকতে সমস্যা হতে পারে। পেটে অসহ্য যন্ত্রনা হওয়ার পাশাপাশি সবসময়ই অস্বস্তি বোধ হতে পারে আপনার।

আরো পড়ুন: শীতকালে চুলের যত্নে করনীয়..

কিডনিতে পাথর জমা হয়ে কখনো বা প্রসাবে রক্ত দেখা দিতে পারে।

পাজরের দুইপাশে কিংবা পিঠে ও তলপেটে ব্যথা হতে পারে।
প্রসাবের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া, প্রসাবকালে ব্যথা হওয়ার পাশাপাশি মূত্রের রঙ গোলাপি, লাল বা গাঢ় রঙের হতে পারে। শুধু তাই নয়, জ্বর এবং বমি-বমি ভাব হতে পারে আপনার।

তবে,একেকজনের উপসর্গ একেকভাবে দেখা দিতে পারে। এ লক্ষণগুলোর সবই যে একজনের মধ্যে দেখা দেবে তা নয়। পাথরের আকৃতি এবং কিডনির কোনস্থানে পাথর জমেছে তার উপর উপসর্গগুলো নির্ভর করে।

আপনার শরীরে উপরের লক্ষণগুলোর যেকোন একটি দেখা দিলে, নিজের কাছে সন্দেহ হলে, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না যেন।