Foto

মাধ্যমিক পর্যায়ের পরীক্ষকদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে অনলাইন প্রশিক্ষণ


মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড-ঢাকা, সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ) এর উদ্যোগে এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ- এর এটুআই প্রকল্পের কারিগরী সহযোগিতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের পরীক্ষকদের জন্য উত্তরপত্র মূল্যায়ন বিষয়ক অনলাইন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।


মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম), ধানমন্ডি, ঢাকা-এর মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই অনলাইন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী (এমপি) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ই-প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান (ঢাকা) প্রফেসর মু. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, অতিরিক্ত সচিব মো. আবু ছাইদ শেখ, পিএএ, অতিরিক্ত সচিব ও এটুআই প্রকল্প পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব ও , ব্যানবেইসের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ এবং জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এর মহাপরিচালক প্রফেসর আহম্মেদ সাজ্জাদ রশীদ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানসম্মত শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হচ্ছে মানসম্মত মূল্যায়ন। সঠিক মূল্যায়নের ওপর একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কর্মজীবন নির্ভর করে। শিক্ষার্থীর শিখন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অতি মূল্যায়ন ও অবমূল্যায়ন উভয়ই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর। মূল্যায়ন নির্ভরযোগ্য না হলে তা শিক্ষার্থীদের মাঝে বৈষম্য তৈরি করে। শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কতটা অর্জিত হচ্ছে তার প্রকৃত তথ্য পাওয়ার জন্য নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ মূল্যায়ন নির্ভরযোগ্য না হলে শিক্ষার্থীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি সরকারের ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণেও জটিলতার সৃষ্টি হয়। মাধ্যমিক পর্যায়ের পরীক্ষকগণের জন্য উত্তরপত্র মূল্যায়ন বিষয়ক অনলাইন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এর মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে প্রায় ৫০হাজার মূল্যায়নকারী শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব হবে, যা তাদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এক নব দুয়ার উন্মোচন করবে। এই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান দ্বারা পরীক্ষকগণ নির্ভরযোগ্যভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়নে সক্ষম হবেন এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ অর্জনে ২১ শতকের সকল শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত ও গুণগত এবং প্রবেশযোগ্য শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১০ সাল থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এর সহযোগিতায় এটুআই প্রোগ্রাম শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহের সাথে যৌথভাবে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ সকল উদ্যোগের মধ্যে আইসিটি ইন এডুকেশন মাস্টার প্ল্যান, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, মাল্টিমিডিয়া টকিংবুক, মডেল কন্টেন্ট, শিক্ষক বাতায়ন, কিশোর বাতায়ন, মুক্তপাঠ ই-লার্নিং প্লাটফর্ম উল্লেখযোগ্য।

Facebook Comments

" লেখাপড়া " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ