Foto

বালাকোটে ব্যবহৃত আরো ১০০ স্পাইস বোমা কিনছে ভারত


পাকিস্তানের বালাকোটে জইশ ঘাঁটিতে ব্যবহৃত আরো ১০০ ‘স্পাইস বোমা’ কিনছে ভারত। আকারে ছোট কিন্তু ভয়ঙ্কর ধ্বংসাত্মক এসব বোমা ইসরাইলের কাছ থেকে কিনছে দেশটি। বৃহস্পতিবার ৩০০ কোটি রুপির চুক্তি হয়েছে দুদেশের মধ্যে। আগামী তিন মাসের মধ্যেই সেগুলো নয়াদিল্লিকে সরবরাহ করবে জেরুজালেম।


প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি স্পাইস বোমাগুলোর কার্যকারিতা সুনির্দিষ্ট। মাটির নিচে বাঙ্কার কিংবা দুর্গের মতো করে তৈরি করা কংক্রিটের নির্মাণ ধ্বংস করতে স্পাইস বোমার জুড়ি মেলা ভার।

৬০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপ করে লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করে দেওয়া যায়। এই বোমাগুলো ব্যবহারের জন্য যেসব আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম প্রয়োজন, সেগুলোও সরবরাহ করে প্রস্তুতকারী সংস্থা। স্পাইস বোমার সবচেয়ে বড় সুবিধা এর আকার। তুলনায় ছোট হওয়ায় বহন করা সহজসাধ্য। নিরাপদ দূরত্ব থেকে আঘাত করা যায়। এমনকি আকাশে ঘন মেঘ বা প্রচণ্ড খারাপ আবহাওয়াতেও এর কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে না। ফলে যে কোনো পরিবেশে শত্রুপক্ষের ঘাঁটি ধ্বংস করতে কার্যত অপ্রতিরোধ্য এই বোমাগুলো।

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও শত্রুপক্ষের ঘাঁটি ধ্বংস করার ক্ষেত্রে স্পাইস বোমার বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন। ’দ্য উইক’ ম্যাগাজিনের মতে, এই বোমায় রয়েছে অভ্যন্তরীণ নেভিগেশন প্রযুক্তি। তার সঙ্গে স্যাটেলাইট গাইডেড ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল সেন্সর থাকায় লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত ভাবে আঘাত হানা সম্ভব।

তাছাড়া প্রযুক্তিগত কারণেই এই বোমাগুলো রাডারে ধরা পড়ার সম্ভাবনাও খুব কম। নিখুঁত নিশনা, আকারে ছোট এবং প্রযুক্তিগত এই সব সুবিধার জন্যই ভারতীয় বিমান সেনা স্পাইস-২০০০ বোমা গত প্রায় চার বছর ধরে ব্যবহার করে আসছে। ফ্রান্সের কাছ থেকে কেনা মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমানের সাহায্যে এই বোমাগুলো ছোড়া যায়। শেষ ব্যবহার হয়েছে বালাকোটে জইশ জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করতে।

Facebook Comments

" বিশ্ব সংবাদ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ