Foto

বর্ষবরণ উৎসবের খাবার খেয়ে গেল দুষ্কৃতিকারী


নিউ ইয়ার উৎসবে এসে উৎসবের জন্য আয়োজিত খাবার খেয়ে ফেলল পুলিশের একটি দল। চলে যাওয়ার সময় লুটপাট করে নিয়ে গেল অনেক টাকার মালামাল।


তবে তারা পুলিশ নন, পুলিশের ইউনিফর্ম পরে আসা এক দল দুষ্কৃতকারী। এমনটিই জানিয়েছে স্থানীয় থানা পুলিশ।

গত ১ জানুয়ারি রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি থানার ভাণ্ডারডিহিতে এ ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, বর্ধমানের নির্মাণাধীন বিদ্যুতের সাবস্টেশনের কর্মীরা ইংরেজি বছরের প্রথম দিন উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠান করছিল।

অনুষ্ঠানের জন্য রান্না করা হয়েছিল মুখরোচক খাবার। আর সেই রাতেই হঠাৎ এক দল পুলিশ ভেতরে ঢুকে এ আয়োজনে বাধা দেয়।

এর পর তারা নিরাপত্তারক্ষী ও কর্মীদের হাত-পা বেঁধে শৌচাগারে আটকে রেখে লুটপাট চালায়।

চলে যাওয়ার সময় কর্মীদের পিকনিকের জন্য তৈরি খাবারও খেয়ে নেয় পুলিশের ওই দলটি।

তবে বর্ধমান পুলিশের ডিএসপি শৌভিক পাত্র জানান, কোনো পুলিশ এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিল না। পুলিশের বেশে কিছু দুষ্কৃতকারী এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

ঘটনার পর দিন বুধবার জেলার গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের ম্যানেজার নির্মলকান্তি বিশ্বাস ও জেলা পুলিশের ডিএসপি শৌভিক পাত্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ম্যানেজার নির্মলকান্তি বিশ্বাস দাবি করেন, ‘দুষ্কৃতকারীরা ৩৩ কেভিএ ট্রান্সফর্মার ভেঙে তামার তারসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার সামগ্রী লুট করেছে।’

স্থানীয় পুলিশ ও ঠিকাদার সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ চারজনের একটি দল পুলিশের পোশাক পরে সাবস্টেশনের ভেতরে ঢোকে। তাদের সঙ্গে খেলনা বন্দুক ও টর্চলাইট ছিল।

এর পরই তারা ঠিকাদার সংস্থার তিন কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীর হাত-পা বেঁধে শৌচাগারে আটকে লুটপাট করে বেরিয়ে যায়।

তবে ঠিকাদার সংস্থার কর্মকর্তা মিনাজউদ্দিন আহমেদের দাবি, দুষ্কৃতকারীরা সংখ্যায় কমপক্ষে ১২-১৫ জন ছিল।

গত ফেব্রুয়ারি থেকে এই সাবস্টেশন তৈরির কাজে হাত দেন গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের কর্তারা। বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ঠিকমতো না আসায় সাবস্টেশনের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে।

এরই মধ্যে এই লুটের ঘটনায় কাজ আরও পিছিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সাবস্টেশনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানের জন্য রান্না করা হয়েছিল মুখরোচক খাবার। আর সেই রাতেই হঠাৎ এক দল পুলিশ ভেতরে ঢুকে এই আয়োজনে বাঁধা দেয়।

এরপর তারা নিরাপত্তারক্ষী ও কর্মীদের হাত-পা বেঁধে শৌচাগারে আটকে রেখে লুটপাট চালায়।

চলে যাওয়ার সময় কর্মীদের পিকনিকের জন্য তৈরি খাবারও খেয়ে নেয় পুলিশের ওই দলটি।

তবে বর্ধমান পুলিশের ডিএসপি শৌভিক পাত্র জানান, কোনো পুলিশ এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। পুলিশের বেশে কিছু দুষ্কৃতিকারী এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

ঘটনার পরদিন বুধবার জেলার গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন প্রকল্পের ম্যানেজার নির্মলকান্তি বিশ্বাস ও জেলা পুলিশের ডিএসপি শৌভিক পাত্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ম্যানেজার নির্মলকান্তি বিশ্বাস দাবি করেন, ‘দুষ্কৃতিকারীরা ৩৩ কেভিএ ট্রান্সফর্মার ভেঙে তামার তারসহ প্রায় বিশ লাখ টাকার সামগ্রী লুট করেছে।’

স্থানীয় পুলিশ ও ঠিকাদার সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ চার জনের একটি দল পুলিশের পোশাক পড়ে সাবস্টেশনের ভেতরে ঢোকে। তাদের সঙ্গে খেলনা বন্দুক ও টর্চলাইট ছিল।

এরপরই তারা ঠিকাদার সংস্থার তিন কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীর হাত-পা বেঁধে শৌচারে আটকে লুটপাট করে বেরিয়ে যায়।

তবে ঠিকাদার সংস্থার কর্মকর্তা মিনাজউদ্দিন আহমেদের দাবি, দুষ্কৃতিকারীরা সংখ্যায় কমপক্ষে ১২-১৫ জন ছিল।

গত ফেব্রুয়ারি থেকে এই সাবস্টেশন তৈরির কাজে হাত দেন গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের কর্তারা। বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ঠিকমতো না আসায় সাবস্টেশনের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে।

এরইমধ্যে এই লুটের ঘটনায় কাজ আরও পিছিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সাবস্টেশনের কর্মকর্তারা।

 

Facebook Comments

" প্রতিবেশী " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ