Foto

দূতাবাসের টয়লেটে গোপন ক্যামেরা, সামরিক কর্মকর্তার কারাদণ্ড


যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে নিজেদের দূতাবাসের কমন টয়লেটে গোপন ক্যামেরা লাগানোর দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক এক শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা। ভিজুয়াল রেকর্ডিং করার চেষ্টার জন্য আলফ্রেড কেটিং নামে ওই সামরিক কর্মকর্তাকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ জুন থেকে তার এ কারাদণ্ড কার্যকর হবে।


২০১৭ সালে ওই গোপন ক্যামেরার সন্ধান পাওয়া যায়। তখন আলফ্রেড রয়্যাল নিউজিল্যান্ড নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি দেশটির যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ছিলেন।

আলফ্রেড বিদেশি কর্মকর্তা ছিলেন। তাই তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অপরাধ সংঘটিত হওয়া সত্ত্বেও নিউজিল্যান্ড তার বিচারের জন্য দায়ী ছিল। চলতি মাসে ওকল্যান্ডের জেলা কোর্টে শুনানিতে বলা হয়, ক্যামারেটি একটি গরম নলের মধ্যে লুকানো ছিল। পরে এটি মেঝেতে পায় দূতাবাসের এক কর্মী। তখন ওই কর্মী ভেবেছিলেন এটা কোনো মেমোরি ড্রাইভ হয়তো, কিন্তু পরে দেখতে পান এটা ছোট ক্যামেরা লেন্স। এটি ব্রিকহাউজ নিরাপত্তা নামের ক্যামেরার ব্রান্ড।

তদন্তে আলফ্রেডের ল্যাপটপে দেখা যায়, ব্রিকহাউজ নিরাপত্তার প্রবেশাধিকার আছে তার। এই কোম্পানির আছে গোপন ক্যামেরা। ময়লার মধ্যেও এক সময় এই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। মেমোরিকার্ডে পাওয়া ৭০০ ডিলিট ফাইল ও ২০টা এক্সিসটিং ফাইলসহ পরবর্তীতে এই ক্যামেরা নিউজিল্যান্ডে পাঠায় পুলিশ।

পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে বাথরুম ব্যবহার করার ১৯টি ইমেজ খুঁজে পাওয়া যায়। ক্যামেরার এসডি কার্ডে আলফ্রেডের ডিএনএর মিল খুঁজে পাওয়া যায়। এটি অনেক মাস ধরে একই জায়গায় রাখা হয়।

 

Facebook Comments

" যুক্তরাষ্ট্র " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ