Foto

দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আলোচনা হয়েছে: আইনমন্ত্রী


আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক যাতে আরও শক্ত, দৃঢ় ও বিস্তৃত হয় সেই সহযোগিতার দ্বারগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা একটা সিদ্ধান্তে এসেছি যে লিগ্যাল ড্রাফটিংয়ের বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য আমরা কিছু কর্মকর্তা ভারতে পাঠাব। ওই দেশে খুব উন্নতমানের একটা ড্রাফটিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আছে। কিছুদিনের মধ্যেই আমরা সেখানে কর্মকর্তা পাঠাব।


বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গলি দাসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ সব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, অবৈধ ভবন রক্ষায় মালিকদের করা মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। আমার সঙ্গে গণপূর্তমন্ত্রীর কথা হয়েছে। তাকে আমি বলেছি, যথনই আমার প্রসিকিউশন টিম, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সাহায্য লাগবে এ সব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে আমরা সব সহায়তা তাদের দেব। মামলা জট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিচারপ্রার্থী জনগণের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি জনগণকে গ্রহণ করতে হবে। প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি একটা প্র্যাকটিস ডিরেকশনের মাধ্যমে পাঠাবেন (আপোষযোগ্য মামলা), আমি প্রসিকিউশনকে বলেছি, দেখেন কোর্ট যদি বলে দেয় এটা আপোষযোগ্য আপনারা আপস করে আসেন। কোর্টে এসে আমাদের বলেন এতদিনের মধ্যে আপস করেছেন। এ রকম একটি অনুশাসন যদি কোর্ট দেয় তবে জনগণের সাহস হয় সেটার ওপর আস্থা রাখা। আপনারা কিছুদিনের মধ্যে দেখবেন কোর্ট আপোষযোগ্য মামলাগুলোতে এমন অনুশাসন দিচ্ছেন, এ অনুশাসনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা আর আদালতে আসছে না। বাইরেই এটার নিষ্পত্তি হচ্ছে এবং কোর্টকে একটা রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যবস্থা আপনারা শিগগিরই দেখবেন।

তিনি বলেন, দেওয়ানি মামলার ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করছি- আগে সিভিল প্রসিডিউর কোর্ট ছিল, সেই কোর্টের অনেকগুলো ধাপ রয়েছে। আজকের বাস্তবতায় সেই ধাপগুলো আমার মনে হয় কিছুটা কমিয়ে আনা যায়।

আইনমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনার দায়িত্ব নেওয়ার পর তার সঙ্গে এটাই প্রথম সাক্ষাৎ। আমরা যেসব বিষয়ে আলোচনা করেছি তা হলো আইনের ক্ষেত্রে, বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে আমাদের দু"দেশের মধ্যে সহযোগিতা। গুজরাটের ভুপালে আমাদের জুডিশিয়াল অফিসারদের ট্রেনিং নেওয়ার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই এগ্রিমেন্ট অনুযায়ী আমাদের অফিসাররা সেখানে ট্রেনিং নিয়ে থাকেন। এই প্রশিক্ষণের ব্যাপারে আরও ক্ষেত্র বাড়ানো যায় কি না, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

 

Facebook Comments

" জাতীয় খবর " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ