Foto

তারকাদের পয়লা বৈশাখের পরিকল্পনা


বাবা-ছেলে ম্যাচিং পাঞ্জাবি পরব অপূর্ব, অভিনয়শিল্পী পয়লা বৈশাখের দিনটা সবচেয়ে আনন্দের, কারণ, এই দিন কোনো শুটিং নেই। আমাদের বাড়িতে বৈশাখ মানেই আর সব বাঙালির মতো আয়োজন। প্রচুর রান্না হবে বাসায়। বিশেষ করে ভর্তার আয়োজন হবে। আমার বাবা তাঁর ভাইবোনদের মধ্যে সবার বড়। তাই আমাদের আত্মীয়স্বজন আসেন দেখা করতে। পরিবারের সবার সান্নিধ্যে দারুণ সময় কাটে। বাকি পরিকল্পনা আমার স্ত্রীর। তাই ওর অধীনে কাল চলব। হা হা হা। এরই মধ্যে আমরা বাবা-ছেলে ম্যাচিং করে পাঞ্জাবি কিনেছি। দুজন সেই পাঞ্জাবি পরব। বিকেলে বা রাতের দিকে একটু বের হতে পারি। তবে সেটা বেশি দূরে নয়। বাসার আশপাশে আইসক্রিম খেতে যেতে পারি। আপাতত এতটুকুই পরিকল্পনা।


শাশুড়ির দেওয়া শাড়ি পরব
পরীমনি, অভিনয়শিল্পী
এবারের পয়লা বৈশাখের বড় প্রাপ্তি শাশুড়ির কাছ থেকে পাওয়া বৈশাখের একটা ডালা। টিপ, চুড়ি, শাড়িসহ নানা ধরনের জিনিসপত্র ছিল সেই ডালায়। কাল (আজ) বৈশাখের দিন শাশুড়ির দেওয়া শাড়িটা পরব। এটা একটা অন্য রকম অনুভূতি। তামিম (স্বামী) এখনো আমাকে কিছু উপহার দেয়নি। দেবে কি না বুঝতে পারছি না (হাসি)। আমি ওকে কদিন আগে একটা পাঞ্জাবি কিনে দিয়েছি। তবে ঠিক বৈশাখের জন্য নয়। আর বৈশাখের দিন ঘিরে পরিকল্পনা খুব বেশি নেই। দুটি টিভি চ্যানেলের সরাসরি অনুষ্ঠানে অংশ নেব। আর সারা দিন পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাব। সকালে উঠে রান্না করার ইচ্ছা আছে। কী রান্না করব, এখনো ভাবিনি। রাতে সবাই মিলে সিনেমা দেখব।

ভক্তদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়
ইমরান, সংগীতশিল্পী
কাল (আজ) তো কনসার্ট থাকবে। এটা নিয়েই আসলে ব্যস্ত থাকা হবে। পয়লা বৈশাখে ভক্তদের সামনে যখন গান করি, তখন তাঁদের আনন্দ দেখেই আনন্দিত হই। এটাই আমাদের বৈশাখের আনন্দ হয়ে ওঠে। এ ছাড়া কনসার্ট করতে যাওয়ার সময় ব্যান্ড সদস্যদের সঙ্গে মজা করি। বিভিন্ন স্টপেজে গাড়ি থামাই। খাওয়াদাওয়া করি। ওখানকার মানুষকে দেখি। তাঁদের সঙ্গে মজা করি। তাঁরা আসেন, আমাদের সঙ্গে ছবি তোলেন। তাঁদের সঙ্গে একটা সম্পর্ক হয়। এগুলোই। এটা ছাড়া তো আসলে আর কিছু করার থাকে না। তবে যদি শো না থাকে, পরের দিন মজা করি। এ ছাড়া পয়লা বৈশাখে শো না থাকলে বিকেলের দিকে বের হওয়ার চেষ্টা করি। ছোটবেলায়ও বের হতাম। এলাকায় গানের অনুষ্ঠান হতো, সেখানে গান গাইতাম।

মেলায় যাওয়ার ইচ্ছা আছে
সাবিলা নূর, অভিনয়শিল্পী
কাল (আজ) যেহেতু ছুটি পেয়েছি, একটু ঘোরাঘুরি করব বন্ধু ও পরিবারের লোকজনের সঙ্গে। সকালে আশপাশের কোনো একটা বৈশাখী মেলায় যাওয়ার ইচ্ছা আছে। তারপর দুপুরের খাবার খাব। আবার পরিবার ও বন্ধুদের সময় দেব।
এ ছাড়া আমার আম্মু খুব সুন্দর করে ছোট ছোট চিংড়ি ভাজি করে। আমার প্রতি পয়লা বৈশাখে এটা সকালবেলা খেতেই হয়। এটা ছাড়া আমার কোনো পয়লা বৈশাখ চলে না।
পান্তা, মরিচ ও চিংড়ি মাছ—পয়লা বৈশাখের আমার প্রিয় খাবার। আম্মু রান্না করবে।  মা–বাবা সবাই মিলে একসঙ্গে খাব। বিকেলের দিকে আবহাওয়া দেখে বের হতে পারি।  আশপাশে কোথাও গিয়ে আড্ডা মারতে যেতে পারি।

 

Facebook Comments

" বিনোদন " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ