Foto

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কার্যালয়ে তালা


অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা) কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে একপক্ষ। পরপর তিনবার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরও ভোট না হওয়ায় সমিতির সদস্যদের একাংশ ক্ষুব্ধ হয়ে একাজ করেন বলে জানা গেছে। ক্ষুব্ধ সদস্যরা সমিতির সভাপতি আসিফ তাসীন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান নয়নের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।


এরই জেরে শুক্রবার রাতে সমিতির কার্যালয়ে দুটি তালা মারেন সদস্যরা। এ সময় তালাবদ্ধ সমিতির দরজায় ’সাংবাদিক সমিতির মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি অবৈধ ও বিলুপ্ত’ এবং ’শিবিরের মদদদাতা আসিফকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো’ লেখা দুটি ব্যানার দেখা যায়।

তালা ঝুলানোর আগে ২১ মার্চ সমিতির প্রথা লঙ্ঘন করে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক একক সিদ্ধান্তে সমিতির নতুন সদস্য পদ আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। বিজ্ঞপ্তিতে নতুন সদস্যপদ দেওয়ার দরখাস্ত আহ্বান করা হলে নতুন নির্বাচন সম্পর্কে কোনো কথা নেই।

এদিকে রাতে তালা ঝুলানোর আগে সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে অর্থ চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়। এ অভিযোগে শনিবার সমিতির দপ্তর সম্পাদক বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে বলা হয়, শুক্রবার রাতে কে বা কারা সমিতির পশ্চিম পাশের স্টিলের আলমারি থেকে ৭৮ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। এর সঙ্গে সমিতির কার্যালয়ের মূল ফটকে দুটি তালা ঝুলিয়ে গেছে তারা।

তবে তালা ঝুলানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে অর্থ চুরির অভিযোগ আনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করছেন সমিতির অন্য সদস্যরা। নিজেদের অনিয়ম ঢাকতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নতুন নাটক সাজিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। ক্ষুব্ধ সদস্যরা বলছেন, বিদেশ ট্যুরের পর সাংবাদিক সমিতির অনেক টাকা ঋণ রয়েছে। সমিতির তহবিল একদম খালি।

এ বিষয়ে ডুজা সভাপতি আসিফ বলেন, তালা মারা ও অর্থ চুরির সঙ্গে সমিতির বাইরের কেউ যুক্ত বলে সন্দেহ তার। তবে তার ধারণা একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা হয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক নয়ন বলেন, সমিতির মধ্যে কোনো পক্ষ নেই। তালা মারা ও টাকা চুরির ঘটনার সঙ্গে কোনো সদস্য জড়িত নয়। তিনি বলেন, সমিতির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।

Facebook Comments

" লেখাপড়া " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ