Foto

চালের বস্তায় মেয়াদ না থাকার ব্যাখ্যা চান হাইকোর্ট


সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সখিপুর খাদ্যগুদামে ৮০০ টন চালের বস্তায় মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকার বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের এ ব্যাখ্যা দিতে হবে।


বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার চাল পরীক্ষা সংক্রান্ত নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের একটি প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর এই আদেশ দেন।

আদালতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফরিদুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে মাহমুদ বাশার সাংবাদিকদের জানান, ’সাতক্ষীরার একটি গুদামে থাকা চাল পরীক্ষা করে আদালত আমাদের একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছিলেন। ওই আদেশ অনুযায়ী পরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চালের চারটি নমুনা পরীক্ষার পর প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। আদালত তাদের প্রতিবেদনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তবে ওইসব চালের বস্তায় কেন মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ করা হয়নি সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।’

শ্যামনগর উপজেলার সখিপুর খাদ্যগুদামে ৮০০ টন চাল সংরক্ষণ করা হয়। কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও খ্রিষ্টানদের বড়দিন উপলক্ষে এ চালগুলো কুষ্টিয়া গুদাম থেকে সংগ্রহ করা হয়। এমনকি নতুন চালের বস্তা চারপাশ দিয়ে ঘিরে রেখে এর মাঝখানে পুরনো চালের বস্তা গুদামজাত করা এবং এর মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি স্থানীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদন সংযুক্ত করে স্থানীয়রা বিষয়টির তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

Facebook Comments

" আইন ও বিচার " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ