Foto

খুঁজে পাওয়া ছবিতে মিলল যাত্রীর পরিচয়


ইন্দোনেশিয়ায় উড্ডয়নের কয়েক মিনিটের মধ্যে বিধ্বস্ত লায়ন এয়ারের উড়োজাহাজের হতভাগ্য যাত্রীরা কারা ছিলেন তা জানার চেষ্টা চলার মধ্যেই ধ্বংসাবশেষ থেকে পাওয়া এক যুগলের প্রথম ছবি থেকে স্যাশাল মিডিয়ার কল্যাণে মিলেছে এক যাত্রীর পরিচয়।


সোমবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ওড়ার ১৩ মিনিটের মাথায়বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটির যাত্রীদের খোঁজে এমনকি খোদ উড়োজাহাজটির সন্ধান পেতে সাগরে এখনো চলছে নানা রকম প্রযুক্তি ব্যবহার করে তল্লাশি। কর্তৃপক্ষ বলছে, কারো বেঁচে থাকার আশা খুবই ক্ষীণ।

এ পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করে কেবল কিছু মৃতদেহের খণ্ডাংশসহ পানিতে ভেসে থাকা মালপত্র পাওয়া গেছে। আর উড়োজাহাজের যাত্রীদের সম্পর্কে লায়ন এয়ার যতটুক জানিয়েছে তাতে এটিতে ১৭৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী ছিল,একজন শিশু ও দুইজন নবজাতক ছিল এবং দুই পাইলটসহ এতে ছিল আরো চয়জন কেবিন ক্রু।

জানা তথ্য বলতে এটুকুই। এরই মধ্যে সাগর থেকে উদ্ধার পাওয়া ধ্বংসাবশেষের মধ্যে মিলেছে একজনের স্মার্টফোনের কভার। আর তাতেই ছিল সেতুর ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়া এক যুগলের ছবি।

এরপরই ইন্দোনেশিয়ার স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা তন্ন তন্ন করে খুঁজতে শুরু করে এ যুগলকে। আর খুব শিগগিরই ইনস্টাগ্রামের ছবিতে মেলে পরিচয়।

ছবিটি পোস্ট করা ছিল ইনে ইয়োনিতা সব্রিতির নামের একজনের একাউন্টে। কিন্তু সব্রিতা নন তার স্বামী ওয়াহজোয়ে নোয়েগ্রহান্তরো ছিলেন লায়ন এয়ারের বিমানের যাত্রী। তার ফোনের কভারেই পাওয়া গিয়েছিল ছবিটি।

ওয়াহজোয়ের ভাতিজা হার্তেনো বিবিসি কে বলেন, মায়ের কাছ থেকে শোনার পর ফোন কভারটি তার নজরে আসে।

তার কথায়, “স্যোশাল মিডিয়ায় যতবারই ছবিটি দেখি, দুঃখ হয়। তার স্ত্রী সন্তানদের কেমন লাগছে তা কল্পনাও করতে পারব না। মাত্র এক সপ্তাহ আগেই পারিবারিক একটি পূনর্মিলণীতে তার (ওয়াহজোয়ে) সঙ্গে দেখা হয়েছিল। আর মাত্র এক সপ্তাহ পরেই তিনি নেই- এটা আমরা ভাবতেও পারছিনা।”

Facebook Comments

" বিশ্ব সংবাদ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ