Foto

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার: ফখরুল


বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যেই গণতন্ত্রের জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সেটিকে পুনরুদ্ধার এবং গণতন্ত্রের নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই এবারের স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির অঙ্গীকার। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যিনি সারাটা জীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন, সেই নেত্রী খালেদা জিয়াকে আমরা মুক্ত করব।


মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবসের সকালে সাভারের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন তিনি।

স্বাধীনতার চেতনা লুণ্ঠিত হয়েছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, চরম দুর্ভাগ্য আজকে যে চেতনা ও আদর্শকে সামনে নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম, আজকে সে চেতনা ও আদর্শ সম্পূর্ণভাবে ভুলুণ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটা চক্রান্ত প্রায় প্রতিষ্ঠা লাভ করতে চলেছে। স্বাধীনতার আদর্শকে পুনরুদ্ধার করার জন্য দেশবাসীকে শপথ নেয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলামখান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, এজেডএম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, আদুস সালাম, সিরাজউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মফিকুল হাসান তৃপ্তি, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, সেলিম রেজা হাবিব, আবু আশফাক খন্দকার এই দুই কর্মসূচিতে ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন।

অঙ্গসংগঠনের নেতাদের মধ্যে ছিলেন আনোয়ার হোসেইন, নুরুল ইসলাম খান নাসিম, আহসানউল্লাহ হাসান, মোরতাজুল করীম বাদরু, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, সাদেক আহমেদ খান ও আবুল কালাম আজাদ।

বিএনপি ছাড়াও যু্ব দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, উলামা দল, মহিলা দল, মৎস্যজীবী দল, ছাত্রদল, জাসাসসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে জিয়ার কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকালে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এবং গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

Facebook Comments

" রাজনীতি " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ