Foto

ক্যাচ ফেলেও প্লে অফে চিটাগং


চট্টগ্রাম জুজু অবশেষে কাটল চিটাগং ভাইকিংসের। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বিপিএলের চতুর্থ পর্বের শেষ দিনে জয় পেয়েছে মুশফিকের দল। চট্টগ্রাম পর্বে চার ম্যাচ খেলে একমাত্র জয় চিটাগংয়ের। ১১ রানের ওই জয়ে প্লে অফে উঠে গেছে চিটাগং ভাইকিংস। কুমিল্লা, রংপুরের পর মুশফিকরা সাগরিকা থেকে প্লে অফ নিশ্চিত করে ঢাকায় ফিরবে।


এবার শেষ চারের বাকি একটা জায়গার জন্য লড়াই করবে ঢাকা, রাজশাহী এবং সিলেট। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য মুখোমুখি হবে রাজশাহী-সিলেট। ওই ম্যাচেই রাজশাহী কিংবা সিলেট যে কোন এক দলের বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে।

ঢাকার বিপক্ষে জয় পেতে অবশ্য চিটাগংয়ের লড়তে হয়েছে নিজেদের বিপক্ষে। মুশফিকদের হাতে যেন তেল মাখা ছিল এ ম্যাচে। সাকিব, শুভাগতদের ক্যাচ হাতে পড়লেও মিস করেছে তারা। নো বলের ফাঁদে বেঁচে গেছেন রাসেল। তবুও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল চিটাগং। জয়টা হয়তো তাদের ভাগ্যে ছিল। স্বাগতিক দর্শকদের সামনে একটা জয় না পেলে প্লে অফে উঠলেও আক্ষেপ থাকত চিটাগংয়ের।

প্রথমে ব্যাট করে এ ম্যাচে ঢাকার সামনে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দেয় চিটাগং ভাইকিংস। দলের হয়ে দেলপোর্ট খেলেন ৭১ রানের দারুণ এক ইনিংস। এছাড়া মুশফিকুর রহিম করেন ৪৩ রান। ওপেনার শাহজাদ ২১ রান করে ফিরে যান। শেষটায় অবশ্য চিটাগং ভালো ব্যাটিং করতে পারেনি। আন্দে রাসেল হ্যাটট্রিক তুলে নেন শেষ ওভারে। আসরের তৃতীয় হ্যাটট্রিক এটি। তবে লড়াই করার মতো লক্ষ্য পেয়ে যায় মুশফিকরা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু ভালো হয়নি ঢাকার। দলের ২৩ রানে ৩ উইকেট হারায় ঢাকা। এরপর সাকিব এবং নুরুল হাসান এসে ধাক্কা সামল দেন। ঢাকার উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান ফেরেন ৩৩ রান করে। পরেই আউট হন পোলার্ড। তবে উইকেটে থাকা সাকিব নতুন সঙ্গী খুঁজে পান রাসেলকে। দুই ব্যাটসম্যানে ব্যাটে চড়ে লক্ষ্যের দিকে ছুটছিল ঢাকা।

তবে ২৩ বলে ৩৯ রান করে রাসেল আউট হয়ে ফেরার পরে কাজটা কঠিন হয়ে যায়। সাকিব অবশ্য খেলে যাচ্ছিলেন। তবে ১৯তম ওভারে নিজের ফিফটি পূর্ণ করে আউট হন সাকিব। ওই ওভারেই ম্যাচ বেরিয়ে যায় ঢাকার হাত থেকে। সাকিব ৪২ বলে ৫৩ রানের সতর্ক ইনিংস খেলেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৮ রান দরকার ছিল ঢাকার। তারা নিতে পারে ৬ রান। দারুণ জয় তুলে প্লে অফে উঠে যায় চিটাগং।

Facebook Comments

" ক্রিকেট নিউজ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ