Foto

কোহলিকে মাঝেমধ্যে ‘মানুষ’ মনে হয় না তামিমের


এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান বলা হচ্ছে বিরাট কোহলিকে। বাংলাদেশের ওপেনার তামিম ইকবালের অগাধ শ্রদ্ধা কোহলির প্রতিভায়। মাঝেমধ্যে নাকি কোহলির খেলা দেখে তাঁকে ‘মানুষ’ বলেই মনে হয় না তাঁর।


ব্যাট হাতে কী অসম্ভব ধারাবাহিক বিরাট কোহলি। অবলীলায় রান করে যান। সেঞ্চুরি করেন, সর্বোপরি দলকে জেতান। এই বয়সেই সম্ভব-অসম্ভব বহু রেকর্ডের অধিকারী হয়ে নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন সর্বকালের সেরা ক্রিকেটারদের কাতারে। কোহলিকে কেমন ব্যাটসম্যান সেটি অন্যান্য দেশের মতোই বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা খুব ভালো করেই জানেন। তাঁর মুখোমুখি তো কম হওয়া হলো না! ভারতীয় অধিনায়কের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা থেকেই তামিম ইকবালের মাঝেমধ্যে মনে হয় তিনি কি আসলেই মানুষ!

কোহলি মানুষই। রক্ত-মাংসে গড়া মানুষ। কোনো অলৌকিকতা নেই এখানে। কঠোর পরিশ্রম আর অধ্যবসায় দিয়েই কোহলি নিজেকে এমন এক উচ্চতায় তুলে নিয়েছেন। মঙ্গলবার খালিজ টাইমসকে তামিম কোহলি সম্পর্কে যা বললেন, তাতে মিশে থাকল অসম্ভব শ্রদ্ধাবোধ, মাঝেমধ্যে আমার মনে হয় সে মানুষ নয়। কারণ, তাঁর খেলার ধরন। যে মুহূর্তে সে মাঠে ব্যাট নিয়ে নামে তখনই মনে হয় সে বোধ হয় একটা সেঞ্চুরি করবে।

কোহলির পরিশ্রমী সত্তাই স্যালুট জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওপেনার, সে যেভাবে নিজের যত্ন নেয়, সে যেভাবে তাঁর নিজের ব্যাটিং নিয়ে কাজ করে, সেটি অবিশ্বাস্য! খুব সম্ভবত কোহলিই এই মুহূর্তে ক্রিকেটের তিন সংস্করণে সর্বশ্রেষ্ঠ। তাঁর খেলা দেখতে ভালো লাগে। তাঁকে শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছা করে। তাঁর কাছ থেকে শেখারও আছে অনেক কিছুই। আমি মনে করি সে দুর্দান্তই।

এই মুহূর্তে টেস্ট ও ওয়ানডে দুই সংস্করণেই এক নম্বর ব্যাটসম্যান কোহলি। আর ৮১ রান করলেই ওয়ানডেতে দ্রুততম সময়ে ১০ হাজার রানের মালিক হবেন তিনি। ওয়ানডেতে দ্রুততম সময়ে ১০ হাজার রানের রেকর্ডটা এই মুহূর্তে কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারেরই। তিনি ২৫৯ ইনিংসে ১০ হাজার রানের মাইল ফলক ছুঁয়েছিলেন। কোহলি ২০৪ ইনিংসেই এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন।

তামিমও কোহলিকে একজন গ্রেটই মনে করেন তামিম, আমি গত ১২ বছর ধরে অনেক গ্রেট ক্রিকেটারের সঙ্গেই খেলেছি। প্রত্যেকেরই নিজস্ব শক্তিমত্তার জায়গা আছে। কিন্তু আমি কারও মধ্যেই বিরাট কোহলির মতো অন্যের ওপর চড়াও হয়ে খেলার প্রবণতা দেখিনি।

আমিরাতে গত মাসের এশিয়া কাপের পর থেকেই বাংলাদেশ দলের বাইরে আছেন তামিম। কারণটা কবজির চোট। এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচেই কবজি ভেঙে যায় তাঁর। সে ম্যাচেই ভাঙা কবজি নিয়ে এক হাতে ব্যাটিং করে ক্রিকেট দুনিয়ার প্রশংসা কুড়ান এই বাঁ হাতি মারকুটে ব্যাটসম্যান। দুবাইয়ের সেই মুহূর্তটিকে ক্রিকেট ক্যারিয়ারের গর্বের জায়গাই মনে করেন তামিম, ওটা আমার এক গর্বের মুহূর্ত। আমি মনে করেছিলাম ব্যাটিংয়ে যদি নামি, তাহলে দল হয়তো ৫-১০ রান বেশি পাবে। কিন্তু মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আমরা শেষ পর্যন্ত ৩২ রান যোগ করি।

Facebook Comments

" ক্রিকেট নিউজ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ