Foto

কূটনীতিকদের ভুলে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসেনি


একাত্তরের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালির ওপর বর্বরোচিত গণহত্যা চালানোর দিনটিকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি নেওয়ার কাজ চলছে। রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত একাত্তরের ২৫ মার্চের গণহত্যা ও আমাদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক একথা বলেন।


’সম্প্রীতি বাংলাদেশে’র আহ্বায়ক পীযূষ বন্দোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শহীদকন্যা ডা. নুজহাত চৌধুরী। সেমিনারে বক্তব্য দেন বীরপ্রতীক ওয়াকার হাসান, জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অসীম সরকার, সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ, কবি আসাদ মান্নান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল আহসান উল্লাহ প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশি কূটনীতিকদের ’ভুলে’ একাত্তরের ২৫ মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসেনি।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ২০১৫ সালে জাতিসংঘ যখন আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন বাংলাদেশের কূটনীতিকরা ২৫ মার্চের গণহত্যার প্রেক্ষাপট ’সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেননি’। জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক ’গণহত্যা দিবস’ পালিত হয়।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের ভুল সংশোধনের জন্য কূটনীতিকরা সেভাবে প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে পারেননি। তবে সরকার এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২৫ মার্চের গণহত্যার বিষয়ে সারা বিশ্বে জনমত গঠনের কাজ করছে।

মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে যারা বিতর্ক তোলেন, তাদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠিত সত্যকে যারা ’বিতর্কিত’ করতে চায় রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের বিচার হওয়া উচিত। তারা ৩০ বছর ক্ষমতায় থেকে ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধকে পেছনে ঠেলে দিয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জনমত গঠন করতে পারলে কাজটি সহজ হবে।

Facebook Comments

" রাজনীতি " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ