Foto

কুয়েতে শ্রমিক সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ


কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর করেছে একদল প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক। এতে দূতাবাসের কাউন্সিলরসহ তিনজন আহত হন। পরে কুয়েতের পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও কয়েকজন শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।


এ বিষয়ে শুক্রবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি শান্ত রয়েছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকার ও কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তার হওয়া শ্রমিকদের দ্রুত মুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মালিককে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ডেকে পাঠানো হয়। ওই কোম্পানি ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ ও আকামা নবায়নসহ সমস্যা সমাধানে রাজি হয়েছে।

এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বিদেশে বাংলাদেশের সকল দূতাবাস ও প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন।

জানা গেছে, কুয়েতের লেসকো কোম্পানির চার শতাধিক বাংলাদেশি শ্রমিক বকেয়া বেতন ও আকামার দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে দূতাবাসে যায়। তারা কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালামের কাছে তাদের বকেয়া বেতন ও আকামা সমস্যার বিষয়ে অভিযোগ জানায়। রাষ্ট্রদূত তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধান করার আশ্বাস দেন এবং সবাইকে কর্মস্থলে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন। এরপর শ্রমিকেরা দূতাবাস থেকে বের হওয়ার সময় উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং দূতাবাসের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক ভাঙচুর করে। সে সময় দূতাবাসের প্রধান কাউন্সিলর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানসহ তিনজন আহত হন।

Facebook Comments

" জাতীয় খবর " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ