Foto

কারাগার ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে করা নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন করতে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বসছে আদালত।


বৃহস্পতিবার কারাগারেই বসবে বিশেষ আদালত, শুরু হবে মামলার শুনানি। এ কারণে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের আশপাশের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

শুনানি উপলক্ষে সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে পুলিশ, আনসার এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। কারাগারের সামনে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। আশপাশের এলাকায় যান চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় কারাগারের আশপাশে সকাল থেকেই নিরাপত্তাবেষ্টনী রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে লালবাগ জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার সানোয়ার জানান, খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে অস্থায়ী আদালতে নেয়া হতে পারে। তাই আদালতের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

মামলাসূত্রে জানা যায়, কানাডীয় প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন।

মামলা করার পরের বছর ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সাংসদ এমএএইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

Facebook Comments

" জাতীয় খবর " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ