Foto

এটি এম শামসুজ্জামানের চিকিৎসায় ১০ লাখ টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী


কিংবদন্তী অভিনেতা এটি এম শামসুজ্জামানের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন এটি এম শামসুজ্জামানের কোয়েল আহমেদ।


তিনি আজ সকালে মানবজমিনকে বলেন, আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বাবার চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকার চেক আমার হাতে তুলে দিয়েছেন। এ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন, সংগীত শিল্পী রফিকুল ইসলামসহ অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন। বাবার শারীরিক অবস্থা আজ অনেকটাই ভালো। লাইফ সাপোর্টও খুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি স্বাভাবিক খাবার নিতে পারছেন। আর প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ যে বাবার উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি এগিয়ে এসেছেন। বাবাকে আপা

তিনি আজ সকালে মানবজমিনকে বলেন, আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বাবার চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকার চেক আমার হাতে তুলে দিয়েছেন। এ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন, সংগীত শিল্পী রফিকুল ইসলামসহ অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন। বাবার শারীরিক অবস্থা আজ অনেকটাই ভালো।

লাইফ সাপোর্টও খুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি স্বাভাবিক খাবার নিতে পারছেন। আর প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ যে বাবার উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি এগিয়ে এসেছেন। বাবাকে আপাতত দেশেই উন্নত চিকিৎসা দেয়া হবে। এটি এম শামসুজ্জামান বর্তমানে রাজধানীর পুরান ঢাকায় গেন্ডারিয়ার আসগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। উল্লেখ্য, গত ২৬ শে এপ্রিল রাতে বাসায় অসুস্থবোধ করলে এ টি এম শাসুজ্জামানকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শুরু থেকেই তিনি প্রফেসর ডা. রাকিব উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন। এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে ’বিষকন্যা’ ছবিতে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর সহকারী হিসেবে। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ’জলছবি’ চলচ্চিত্রের। ছবির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা। এ পর্যন্ত শতাধিক ছবির চিত্রনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন তিনি। অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ’নয়নমণি’ ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনা আসেন এটিএম শামসুজ্জামান। এরপর বিভিন্ন ছবিতে অভিনয় করে পান দর্শকপ্রিয়তা।

তত দেশেই উন্নত চিকিৎসা দেয়া হবে। এটি এম শামসুজ্জামান বর্তমানে রাজধানীর পুরান ঢাকায় গেন্ডারিয়ার আসগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। উল্লেখ্য, গত ২৬ শে এপ্রিল রাতে বাসায় অসুস্থবোধ করলে এ টি এম শাসুজ্জামানকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শুরু থেকেই তিনি প্রফেসর ডা. রাকিব উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন। এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে ’বিষকন্যা’ ছবিতে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর সহকারী হিসেবে। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ’জলছবি’ চলচ্চিত্রের। ছবির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা। এ পর্যন্ত শতাধিক ছবির চিত্রনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন তিনি। অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ’নয়নমণি’ ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনা আসেন এটিএম শামসুজ্জামান। এরপর বিভিন্ন ছবিতে অভিনয় করে পান দর্শকপ্রিয়তা।

Facebook Comments

" বিনোদন " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ