Foto

একটা কিক পেয়েছেন সাকিব


নির্বাচকরা ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের জন্য যে দল ঘোষণা করেছেন সেখানে সাকিবকে তিনেই ভাবা হয়েছে। বাংলাদেশ কোচ স্টিভ রোডসও সাকিব আল হাসানের ব্যাটিং অর্ডার তিনে ধরেই এগোচ্ছেন। সাকিবও চান অনডাউনে ব্যাটিং করতে।


সাকিব সম্প্রতি তিনেই ব্যাটিং করেছেন। ওই জায়গায় সফলও তিনি। তার আগে বাংলাদেশ দল সাব্বির রহমান, ইমরুল কায়েস, লিটন দাস এমনকি মাহমুদুল্লাহকেও তিনে চেখে দেখেছে। কিন্তু তারা জায়গাটা নিতে পারেননি। শেষ ভরসা হিসেবে সাকিবই খেলছেন ওই পজিশনে। তবে দলের প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ওই জায়গা ছাড়তেও প্রস্তুত সাকিব।

বাংলাদেশের বাঁ-হাতি স্পিন অলরাউন্ডার বলেন, ’এক সময় ছিল পাঁচে ব্যাটিং করতাম। তারপরও প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই ব্যাটে নামতে হয়েছে। এখন দিন বদলেছে। আমি যদি এখন পাঁচে ব্যাটিং করি তাহলে হয়তো ৩৫-৪০ ওভারের আগে ব্যাটেই নামতে পারবো না। আমার মতে, একটু আগে ব্যাটিং করত পারলে ভালো। ব্যক্তিগতভাবে আমি তিনেই ব্যাটিং করতে চাইবো।’

সাকিব প্রথম তিনে নামেন ২০১৪ সালে। ডাক মারেন সে ম্যাচে। তিন বছর বাদে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনে নেমে করেন ২৯ রান। তবে গেল বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর থেকে তিনে ভালো ব্যাটিং করছেন সাকিব। তিন ম্যাচের ওই সিরিজে তিনি দুটি ফিফটি করেন। এখন পর্যন্ত সাকিব ১৩ ম্যাচে তিনে ব্যাটিং করে ৪১ গড়ে রান তুলেছেন ৪৯২। ক্যারিয়ারে বেশি সময় পাঁচে খেলে তার গড় ৩৫.৩৩।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের দিকেও সাকিবকে তাকাতে হবে। বিশ্বকাপে রান উৎসব হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই একজন বেশি ব্যাটিং নিয়ে খেলার চিন্তা দল করতেই পারে। সৌম্য সরকার ফর্মে ফেরায় ওপেন নয়তো তিনে ব্যাটিংয়ের বড় দাবিদার তিনি। দলের প্রয়োজনে তাই নিচে ব্যাটিং করতে অসুবিধা নেই সাকিবের।

তিনি বলেন, ’দলের কোচ এবং অধিনায়ককে বলেছি, আমাকে কোথায় ব্যাটিং করাবে এটা তাদের ব্যাপার। দলের জন্য যে কোন জায়গায় খেলতে সমস্যা নেই আমার।’ এছাড়া ব্যাটিং নিয়ে সাকিব জানান ফিটনেসটা তার কাজে দিচ্ছে, ’সিনেমার মতো, জীবনে মাঝে মধ্যেই একটা কিকের দরকার পড়ে। আমি সেই কিকটা পেয়েছি। কিভাবে তা বলবো না। ওটা গোপন। আমি ২০১১ সাল পর্যন্ত বেশ ফিট ছিলাম। এরপর ফিটনেস নিয়ে সেভাবে কাজ করতে পারিনি। তবে এখন আমি আবার অনেক ফিট।’

Facebook Comments

" ক্রিকেট নিউজ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ