Foto

ইভিএমে জাল ভোট দেয়ার সুযোগ নেই


নতুন ইলেট্রোনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমে জাল ভোট দেয়ার কোনো সুযোগ নেই— ভোটারের আঙ্গুলের ছাপ ছাড়া কোনো ভোটই মেশিন গ্রহণ করবে না। এছাড়া ইন্টারনেট কানেকশন না থাকায় হ্যাক হওয়ারও সুযোগ নেই। ভোটার ভুল করে অন্য বাটানে চাপলে, এতে থাকছে তাৎক্ষনিক সংশোধনেরও সুযোগ।


অ্যাডমিন লেভেলে মোডিফাই না করলে ইভিএমে শতভাগ সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করা সম্ভব বলে দাবি করেছেন এর উদ্ভাবকরা।

ইভিএমএর উদ্ভাবকদের দাবি, এ মেশিনটির অদ্বিতীয় বৈশিষ্ট হচ্ছে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি। যা আগের ইভিএমএ ছিলনা। এটি সংযোজন করার ফলে, জাল ভোট দেওয়ার আর কোন সুযোগ নেই বলে দাবি তাদের।

ইভিএম চালানোর জন্য প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারি প্রিজাইডিং অফিসারের বায়োমেট্রিক্স নেওয়া থাকবে। তাই তারা ছাড়া অন্য কেউ এটি অপারেট করতে পারবেন না। মেশিন নষ্ট হলেও, ভোট নষ্ট হবে না।

ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায়, বাইরে থেকে হ্যাক করা কোন সুযোগ নেই। এতে আছে টাইম লক এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম। যার ফলে ভোট শুরুর আগে ও পরে কোন ভোট দেওয়া যাবে না।

ভোট দেয়ার পর স্ক্রিনে যাকে ভোট দিয়েছেন সেই প্রার্থীর প্রতীক ভেসে উঠবে। ভোটার কনফার্ম করার বাটনে চাপ দিলে একটি শব্দ আসবে যাতে বোঝা যাবে তার ভোট দেয়া হয়েছে।

আবার ভোট দেয়ার পরে তাৎক্ষণিকভাবে ভোটার ইচ্ছা করলে তা বাতিল করে নতুন করে ভোট দিতে পারবেন। সর্বোপরি এই পদ্ধতিতে শতভাগ নির্ভুলভাবে ভোট গ্রহণ সম্ভব বলে দাবি তাদের।

তবে ভোটার যে প্রতীকে ভোট প্রদান করলো, সেই প্রতীকেই যে তার ভোট যোগ হয়েছে, তার নিশ্চয়তা কথায়?—এমন প্রশ্নের জবাবে উদ্ভাবকরা বলেন, বাইরে থেকে এই মেশিনে কোন ধরনের পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। নিয়ন্ত্রণ পুরোই থাকবে নির্বাচন কমিশনের হাতে।

তবে সার্বিকভাবে ইভিএমের সাফল্য-বিফলতার জন্য মেশিন পরিচালনাকারীদের ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তারা।

Facebook Comments

" জাতীয় খবর " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ