Foto

ইভান্স-রাব্বিতে উড়ে গেল কুমিল্লা


দিনটা রাজশাহীর। তামিম, পেরেরা, আফ্রিদিরা তাই ম্যাচের দর্শক। কুমিল্লার হার লেখা ছিল রাজশাহীর হয়ে আগের পাঁচ ম্যাচ ১৩ রান করা ইভান্সের ব্যাটে এবং শুরুতে দলে সুযোগ না পাওয়া কামরুল রাব্বির বোলিংয়ে। মধ্যে দল থেকে বাদ পড়া ইভান্স বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছেন। আর রাব্বি তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেটের। ব্যাটিংয়ে-বোলিংয়ে সমান দাপট দেখিয়ে ৩৮ রানের বড় জয় নিশ্চিত করেছে মেহেদি মিরাজের রাজশাহী কিংস।


কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স মুস্তাফিজ-রাব্বিদের বোলিংয়ের সামনে ২০ ওভার ব্যাটও করতে পারেনি। হাতে ১৬ বল থাকতে গুড়িয়ে গেছে ১৩৮ রানে। কামরুল ইসলাম রাব্বি, রায়ান টেন ডেসকটে এবং মুস্তাফিজুর রহমান মিলে ধসিয়ে দিয়েছেন তাদের। থিসারা পেরেরা, আফ্রিদি কিংবা সাইফউদ্দিনদের মতো শেষের দিকে ম্যাচ বের করার তারকা থাকলেও সুবিধা করতে পারেনি তারা।

প্রথমে কুমিল্লার বিপক্ষে ঢাকার দ্বিতীয় পর্বের প্রথম ম্যাচে ১৭৬ রান তোলে কিংসরা। ঢাকা-সিলেট ঘুরে আবার ঢাকায় ফিরেই দর্শকদের দারুণ এক সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছেন লাউরি ইভান্স। তার হার না মানা ১০৪ রানের ইনিংস এবং ডেসকটের ৫৯ রানে ভর করে ভালো ওই সংগ্রহ পায় রাজশাহী। অথচ শুরুতে ২৮ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। সেখান থেকে বিপিএলের তৃতীয় সর্বোচ্চা জুটি গড়েন দু’জন।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম এবং আনামুল বেশ ভালোই শুরু করেন। শুরুতে ৩৭ রান তুলে ফেলেন তারা। এরপর শুরু হয় যাওয়া আসার মিছিল। তা আর থামেনি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রানও তামিম এবং আনামুলের। বাঁ-হাতি বাংলাদেশ ওপেনার খেলেন ২৫ রানের ইনিংস। আনামুল ফেরেন ২৬ রান করে। পরে আফ্রিদি ১৯ এবং ডওসন ১৭ রান করেন।

রাজশাহীর হয়ে এ ম্যাচে দুর্দান্ত বল করেন বাংলাদেশ দলের হয়ে টেস্ট খেলা কামরুল রাব্বি। অনেকটা মালিঙ্গার মতো বোলিং স্ট্রাইলের রাব্বি পেসার হান্ট থেকে উঠে আসেন। কিন্তু তেমন মেলে ধরতে পারেননি তিনি। এবার তিনি ৩ ওভারে মাত্র ৮ রান খরচায় নিয়েছেন ৪ উইকেট। ডেসকেট এবং কাইস আহমেদ দুটি উইকেট নিয়েছেন। মুস্তাফিজ তার ৩.২ ওভারে মাত্র ৮ রান খরচায় এক উইকেট দখল করেন।

Facebook Comments

" ক্রিকেট নিউজ " ক্যাটাগরীতে আরো সংবাদ